ঈশ্বরের বাক্য শুনুন
আমরা কীভাবে পরিত্রাণ পাই
“সুতরাং বিশ্বাস আসে শোনার মাধ্যমে
এবং শোনা খ্রীষ্টের বাক্যর মাধ্যমে হয়।”
রোমীয় 10:17
“আমি শুধু এই কথা তোমাদের কাছে জানতে চাই,
তোমরা কি ব্যবস্থার কাজের জন্য পবিত্র আত্মাকে পেয়েছ?
না বিশ্বাসের সুসমাচার শ্রবণের জন্য?”
গালাতীয় 3:2
“অতএব, যিনি তোমাকে পবিত্র আত্মা জুগিয়ে দেন ও তোমাদের মধ্যে আশ্চর্য্য কাজ সম্পন্ন করেন,
তিনি কি ব্যবস্থার কাজের জন্য তা করেন?
না বিশ্বাসের সুসমাচার শ্রবণের জন্য?”
গালাতীয় 3:5
“কারণ যে কেউ প্রভুর নামে ডাকে সে মুক্তি পাবে।
যারা তাঁকে বিশ্বাস করে নি তারা কেমন করে তাঁকে ডাকবে?
এবং যাঁর কথা শোনে নি কেমন করে তাঁকে বিশ্বাস করবে?
এবং প্রচারক না থাকলে কেমন করে তারা শুনবে?”
রোমীয় 10:13-14
“খ্রীষ্টেতে থেকে তোমরাও সত্যের বাক্য, তোমাদের মুক্তির সুসমাচার,
শুনে এবং তাতে বিশ্বাস করে
সেই প্রতিজ্ঞার পবিত্র আত্মা দ্বারা মুদ্রাঙ্কিত হয়েছ;”
ইফিষীয় 1:13
“খ্রীষ্ট যীশুর ওপর তোমাদের বিশ্বাস
এবং সব পবিত্র লোকের উপর তোমাদের ভালবাসার কথা আমরা শুনেছি,
কারণ স্বর্গে তোমাদের জন্য অনেক আশার বিষয় রয়েছে।
এই আশার বিষয়ে তোমরা সুসমাচারে সত্যের কথা আগে শুনেছ,
যে সুসমাচার তোমাদের কাছে এসেছে যা সারা পৃথিবীতে ফলপ্রসু এবং প্রচারিত হচ্ছে,
যেদিন থেকে তোমরা ঈশ্বরের অনুগ্রহের কথা শুনে তাকে সত্য বলে জেনেছিলে।”
কলসীয় 1:4-6
লক্ষ্য করুন: ঈশ্বরের বাক্য পরিত্রাণ ও আত্মিক বৃদ্ধি, দুটোই নিয়ে আসে।
পবিত্র লোকদের জন্য
“আমরা যাকে দেখেছি ও শুনেছি,
তার খবর তোমাদেরকেও দিচ্ছি,
যেন আমাদের সঙ্গে তোমাদেরও সহভাগীতা হয়।
আর আমাদের সহভাগীতা হল পিতার
এবং তাঁর পুত্র যীশু খ্রীষ্টের সহভাগীতা।”
1 যোহন 1:3
“আমার মেষেরা আমার আওয়াজ শোনে,
আমি তাদের জানি
এবং তারা আমার পিছন পিছন চলে।
আমি তাদেরকে অনন্ত জীবন দিই,
তারা কখনও বিনষ্ট হবে না
এবং কেউ আমার হাত থেকে তাদেরকে কেড়ে নিতে পারবে না।”
যোহন 10:27-28
“যে এই ভাববাণীর বাক্য সব পড়ে সে ধন্য
এবং যারা তা শোনে এবং পালন করে তারাও ধন্য;
কারণ দিন কাছে এসে গেছে।”
প্রকাশিত বাক্য 1:3
সমস্যা: শোনা, কিন্তু পালন না করা
“কারণ তাদের কাছে তুমি মধুর স্বর বিশিষ্ট নিপুন বাদ্যকরের সুন্দর সঙ্গীতের মত,
তাই তারা তোমার বাক্য শুনবে,
কিন্তু পালন করবে না।”
যিহিস্কেল 33:32
“আর বাক্যর কার্য্যকারী হও,
নিজেদের ঠকিয়ে শুধু বাক্যের শ্রোতা হয়ো না।”
যাকোব 1:22
“কিন্তু যে কেউ মনোযোগের সঙ্গে স্বাধীনতার নিখুঁত ব্যবস্থায় দৃষ্টিপাত করে
ও তাতে মনযোগ দেয়
এবং ভুলে যাওয়ার জন্য শ্রোতা না হয়ে
সেই বাক্য অনুযায়ী কাজ করে,
সে নিজের কাজে ধন্য হবে।”
যাকোব 1:25
“কারণ যেভাবে ইস্রায়েলীয়দের কাছে সেইভাবে আমাদের কাছেও সুসমাচার প্রচারিত হয়েছিল বটে,
কিন্তু সেই বার্তা যারা শুনেছিল তাদের কোনো লাভ হল না,
কারণ তারা বিশ্বাসের সঙ্গে ছিল না।”
ইব্রীয় 4:2
তাই আমাদের দৃঢ় সংকল্প করতে হবে, যেন আমরা এগুলো এড়িয়ে চলি:
- “ভুলে যাওয়ার জন্য শ্রোতা” (যাকোব 1:25)
- “শুধু বাক্যের শ্রোতা” (যাকোব 1:22)
- “সেইমতো কাজ না করে” (যাকোব 1:23)
- “তারা তোমার বাক্য শুনবে, কিন্তু পালন করবে না” (যিহিস্কেল 33:32)
উদাহরণস্বরূপ,
“সদাপ্রভু মনঃশি ও তাঁর লোকদের কাছে কথা বলতেন
কিন্তু তারা তাতে কান দিত না।”
2 বংশাবলি 33:10
এবং
“কিন্তু তারা মনোযোগ দিতে চায় নি;
তারা জেদ করে তাদের কান বন্ধ করে রেখেছে
যেন তারা না শুনতে পায়।”
সখরিয় 7:11
নিজেকে পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি:
যখন আমি অন্যদের কাছ থেকে ঈশ্বরের বাক্যের শিক্ষা শুনি – মণ্ডলীতে, বাইবেল
অধ্যয়নের সভায়, কিংবা টেলিভিশনে – আমি কি একজন ভাল, ফলপ্রসূ শ্রোতা? বাক্য শোনার
ক্ষেত্রে আপনি কেমন করছেন, তা যাচাই করার জন্য নিচের পদ্ধতিটি দেওয়া হল।
- আমি কি প্রার্থনা করি এবং ঈশ্বরকে অনুরোধ করি, যেন তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁর
বাক্য থেকে এমন কিছু দেন যা অনুযায়ী আমি জীবনযাপন করতে পারি (গীতসংহিতা 119:33-34,
নহিমিয় 8:13), যাতে আমি প্রত্যাশাপূর্ণ হৃদয় নিয়ে সভায় যাই?
- যে বাক্য বলা হচ্ছে, তা কি আমি এমনভাবে গ্রহণ করি যে এটা সত্য হতে পারে, সেই
সম্ভাবনা বিবেচনা করি? (প্রেরিতদের কার্য্য 17:11)
- আমি কি শাস্ত্রের অংশগুলো ও মূল বিষয়গুলো লিখে রাখি, যাতে পরে ঈশ্বরের সঙ্গে একান্তে
সেগুলো নিয়ে ধ্যান করতে পারি?
- আমি কি সময় নিয়ে আমার লেখা নোটগুলো আবার বের করি এবং ঈশ্বরের বাক্যগুলো পর্যালোচনা
করি, শাস্ত্রের সঙ্গে শাস্ত্র মিলিয়ে দেখি, এসব কথা সত্য কিনা তা যাচাই করার জন্য
(প্রেরিতদের কার্য্য 17:11)?
- এই শাস্ত্রাংশগুলো শোনা ও পর্যালোচনা করার ফলে আমি কি নির্দিষ্ট কোনো পদক্ষেপ নিয়েছি
(যাকোব 1:25)?
← বাক্য গ্রহণে ফিরে যান