ঈশ্বরের বাক্য পড়ুন

“আর নিজের রাজ্যের সিংহাসনে বসার দিনের
সে নিজের জন্যে একটি বইয়ে লেবীয় যাজকদের সামনে অবস্থিত
এই নিয়মের অনুলিপি লিখবে।
তা তার কাছে থাকবে
এবং সে সারা জীবন তা পড়বে;
যেন সে নিজের ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ভয় করতে
ও এই নিয়মের সব কথা ও এই সব বিধি পালন করতে শেখে;”
দ্বিতীয় বিবরণ 17:18-19

ঈশ্বর যখন তাঁর লোকদের একজন রাজা সম্বন্ধে নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি স্পষ্ট করে বললেন: রাজা সিংহাসনে বসার পর নিজের জন্য ঈশ্বরের বাক্যের একটি অনুলিপি লিখবে, সেটা নিজের কাছে রাখবে, এবং সারা জীবন প্রতিদিন তা পড়ার অভ্যাস করবে। এর মাধ্যমে রাজা তার ঈশ্বর সদাপ্রভুকে ভয় করতে শিখবে। তাই আজ আমরাও যদি ঈশ্বরকে ভয় করতে শিখতে চাই, তবে আমাদেরও প্রতিদিন ঈশ্বরের বাক্য পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে!

প্রতিদিন ঈশ্বরের বাক্য পড়ুন!


দ্বিতীয় বিবরণ 8:3 পদে ঈশ্বর বলেন:

“…মানুষ শুধু রুটিতে বাঁচে না,
কিন্তু সদাপ্রভুর মুখ থেকে যা যা বের হয়,
তাতেই মানুষ বাঁচে।”
দ্বিতীয় বিবরণ 8:3

ঈশ্বরের বলা এমন কোনো বাক্য কি আছে, যা আমাদের প্রাণের জন্য মূল্যহীন? এই পদে ঈশ্বর বলছেন যে তাঁর মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি কথাই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।

প্রতিটি বাক্য পড়ুন!


“ঈশ্বরের প্রত্যেক বাক্য পরীক্ষাসিদ্ধ;…”
হিতোপদেশ 30:5a
“শাস্ত্রের প্রত্যেক কথা ঈশ্বরের মাধ্যমে এসেছে
এবং সেগুলি শিক্ষার, চেতনার, সংশোধনের, ধার্মিকতার সম্বন্ধে শাসনের জন্য উপকারী,
যেন ঈশ্বরের লোক সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হয়ে,
সব ভাল কাজের জন্য প্রস্তুত হতে পারে।”
2 তীমথিয় 3:16-17

এই পদে ঈশ্বর বলছেন যে সমস্ত শাস্ত্র দুটোই: #1 ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, এবং #2 উপকারী। পবিত্র শাস্ত্রের কতটুকু ঈশ্বরের কাছ থেকে এসেছে? সবটুকু! পবিত্র শাস্ত্রের কতটুকু আমাদের জন্য উপকারী? সবটুকু! তাহলে পবিত্র শাস্ত্রের কতটুকু আমাদের পড়া উচিত? সবটুকু!

সম্পূর্ণ শাস্ত্র পড়ুন!


যেহেতু শাস্ত্রে লেখা আছে যে:

তাই আসুন, আমরা জীবনের প্রতিটি দিন সম্পূর্ণ শাস্ত্র পড়ার চেষ্টা করি!

উপরের কথাগুলোর আলোকে, এবং এগুলো সত্য বলে বিশ্বাস করে, আমরা নিচের পরামর্শগুলো দিচ্ছি, এই আশায় যে পাঠকের কাছে এগুলো সহায়ক হবে:


সম্পর্কিত প্রবন্ধ

← বাক্য গ্রহণে ফিরে যান